ভৌতিক

নিশুতি রাতের ডাক

(এক) “ডাক্তারবাবু, আমি কি আবার আগের মতো হাঁটতে পারব?” অ্যানেস্থেশিয়ার প্রভাবে ঘুমে ঢলে পড়ার ঠিক আগে প্রশ্নটা করল তমোঘ্ন। ডাক্তারবাবু মৃদু হেসে আশ্বাস দিলেন, “চিন্তার কোনো কারণই নেই। এখন অর্গান ট্রান্সপ্ল্যান্ট বা অঙ্গ প্রতিস্থাপন অনেক আধুনিক হয়েছে। একবার ফিট হয়ে গেলে আপনি আবার আগের মতোই চলাফেরা করতে পারবেন।” নিশ্চিন্ত হয়ে চোখ বুজল তমোঘ্ন। মনে মনে […]

নিশুতি রাতের ডাক Read More »

হিমের ঘর

হিমের ঘর রাত এগারোটা বাজে। ডিনার সেরে ব্যালকনিতে এসে দাঁড়িয়ে ছিল আকাশ। মৃদুমন্দ হাওয়া বইছে। চাঁদ মেঘের আড়ালে মুখ লুকিয়েছে। সামনের গাছগুলো থেকে ভেসে আসছে ঝিঁঝিঁর ডাক। বহুদূরে দপদপ করে জ্বলছে একখানা ল্যাম্পপোস্ট। ব্যালকনিতে দাঁড়িয়ে ভবিষ্যতের অনিশ্চিত চিন্তায় মগ্ন ছিল আকাশ। মনের মধ্যে দোলাচল চলছিল। হঠাৎ সমস্ত নীরবতাকে ছিন্ন করে ওর ফোনটা ঝনঝন করে বেজে

হিমের ঘর Read More »

শেষ অপেক্ষা

অমাবস্যার রাত, তার ওপর মুষলধারে বৃষ্টি। বম্বে রোডের ওপর দিয়ে জয়ের বিএমডব্লিউ-টা যেন জল কেটে স্রেফ উড়ে চলেছে। ওয়াইপারগুলো সর্বোচ্চ গতিতে চালিয়েও সামনের কাঁচ পরিষ্কার রাখা দায়। হাইওয়ের দুপাশে ঘন জঙ্গল, মাঝে মাঝে বিদ্যুচ্চমকে সেই জঙ্গলটাকে মনে হচ্ছে প্রাগৈতিহাসিক কোনো দানবের হাঁ করা মুখ। হঠাৎ হেডলাইটের আলোয় বুকটা ছ্যাঁৎ করে উঠল জয়ের। রাস্তার মাঝখানে ওটা

শেষ অপেক্ষা Read More »

টান

রাহুলের আজকাল কেন যেন মনে হচ্ছে ওর স্ত্রী কোনো অবৈধ সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছে। বাবানের ব্যাপারটা কেবলই অজুহাত মাত্র, পরকীয়া লুকোবার বাহানা। নাহলে প্রতি রাতে সে ঘুমিয়ে পড়ার পরে মৌমা এভাবে চুপিচুপি বেরিয়ে যায় কেন?

টান Read More »